সজল দাস

সজল দাসের কবিতাগুচ্ছ

জিরোপ্রপাত


কান্না ভাঙে না
অর্থাৎ জল এক প্রকার মৌলিক দুঃখ
হাসির টুকরো ও ধোয়ার শব্দ
ফেরত চলে যাচ্ছে

পাগলের বাড়ি কী একধরণের অচেনা গ্রাম না মাইক
যে ফেটে পড়বে বাবার নামেই

 


জলের প্রান্ত থেকে কাকে ডাকো পুকুরের মা
গড়িয়ে গেলেও তাকে ভুল বলা যায়?
তুমি জানো, অদ্ভুতভাবে দুজন মানুষ একই কথা ভাবতে পারে

 


টিপের পাতা দেখেই বুঝলাম
একধরণের গাছ
আর
ঘাম বেয়ে সূর্যাস্তের সাপ
নেমে আসছিল পিঁড়ির বিয়ের দিকে

 


তীব্র বেদানার গান
আমি শুনেছি রক্তক্ষর স্রোত
কীভাবে গাছের মধ্যে বনের মধ্যে বাকল ডুমুরের মধ্যে ঘুরে বেড়ায় খ্যাপা ঘরহারা খাঁখাঁ হালকা কাগজের একটি প্লেন

দাঁত বসে থাকলেও চিরুনি হয়, যেন চুলের মৃত্যু
জল থেকে সরে আসছে হাতের দূরহীন ছায়া

 


জল সরব হলে ছায়া ফেটে যায়
তুমি জানো মানুষ কারো নাম না
আর ছায়া ফেটে কেউ মারাও যায় না

 


অশনিকে শনিবার ডাকো
ভীতু পাখির ডিম আমি আকারে পাই না যে সিদ্ধ করব
কী খাওয়াই ডাক দিকে উড়ে গেলে পাখি মিথ্যে মনে হয় শনিবার আস্তে করে বলি

 


তোমার চোখের নীচে তিল আমি তেল কারখানার কেউ নই
শুধু ঘুড়ির তলায় বসে ছায়া দেখতে না পেয়ে মনখারাপ করি আকাশকে ভাগ করি
ওর প্রেমিকা দিয়ে
দেখি কলেজের পর শূন্য একটা বাস নিজেকে ভাগ করে দুদিকে চলে গেল

Facebook Comments

Related posts

Leave a Comment